Who was Munier Choudhury? , He was a Bangladeshi educationist, playwright, literary critic, and political dissident. He was a victim of the mass killing of Bengali intellectuals in 1971. He was awarded Independence Day Award in 1980, by then-President Ziaur Rahman's government, posthumously. Munier Chowdhury, known primarily as the author of iconic plays such as ... Shaheed Munier Choudhury and Bangladesh are inseparable.



Born27 November 1925
Manikganj District, Bengal Presidency, British India
Died14 December 1971 (aged 46)
NationalityBangladeshi
EducationMA (linguistics)
Alma materAligarh Muslim University
University of Dhaka
Harvard University
Children
  • Ahmed
  • Ashfaque
  • Asif
RelativesFerdousi Mazumder (sister)
Kabir Chowdhury (brother)
Ashfaque Munier (Son)
Awardsfull list


Today is the 95th birthday of Bangladeshi playwright, educator, linguist, literary critic, stage actor, and political activist Munier Chowdhury, who is widely considered a pioneer of the country’s modern Bangla drama. Renowned for plays like Kabar (The Grave, 1952) and Roktakto Prantor (The Bloody Meadow, 1959), Chowdhury dedicated his life to the promotion of the Bangla language, its national identity, and the fight against repression in all its forms. Shaheed Munier Chowdhury was born on this day in 1925 in the town of Manikganj, British India (now Bangladesh), and from a young age, he impressed his family with his precocious wit. Following his first of multiple master’s degrees, he became a professor in the English and Bangla departments of Dhaka University in 1950. In 1952, Chowdhury was imprisoned for his activism related to the Language Movement, an ultimately successful campaign to have Bangla recognized as one of Pakistan’s official languages. While detained he completed one of his greatest works, Kabar—a surrealist ode to the struggles of the movement. Throughout the rest of his life, Chowdhury maintained his success as a writer of short stories and plays while serving as a champion of nationalist and cultural causes. A committed torchbearer for the Bangla language, he also helped to design an improved Bangla typewriter keyboard in the mid-’60s. In 1980, the Bangladeshi government posthumously awarded Chowdhury the Independence Day Award—the nation’s highest state honor.


আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী (২৭ নভেম্বর ১৯২৫ - ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১) একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী, বাগ্মী এবং শহিদ বুদ্ধিজীবী। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন গোপাইরবাগ গ্রামে। তিনি ছিলেন ইংরেজ আমলের একজন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খান বাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরীর চৌদ্দ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। কবীর চৌধুরী তাঁর অগ্রজ, ফেরদৌসী মজুমদার তাঁর অনুজা। ১৯৪৯-এ লিলি চৌধুরীর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। মুনীর চৌধুরী ১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল (বর্তমান ঢাকা কলেজ) থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় পাস করেন এবং ১৯৪৩ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগে আইএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স (১৯৪৬) এবং মাস্টার্স (১৯৪৭) পাস করেন, উভয় ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় শ্রেণীতে। তিনি ছিলেন সলিমুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র। বক্তৃতানৈপুণ্যের সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রজীবনের প্রথম বছরেই, ১৯৪৩ সালে, হলের সেরা বক্তা হিসেবে প্রোভোস্ট্স কাপ জেতেন। ১৯৪৬ সালে নিখিল বঙ্গ সাহিত্য প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক সংখ্যক পুরস্কার জেতেন। ১৯৪৯ সালে মুনীর চৌধুরী খুলনার ব্রজলাল কলেজে ইংরেজির অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। সেখানে তিনি কিছুদিন বাংলাও পড়িয়েছিলেন। ১৯৬৯ সালে মুহম্মদ আবদুল হাই অকালে মৃত্যুবরণ করলে তাঁর স্থানে মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রধান হন। ১৯৭০ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত একটি ভাষাতাত্ত্বিক সম্মেলনে যোগ দিতে যান। মুনীর চৌধুরী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে পাকিস্তান সরকারের হাতে বন্দী হন। বন্দী থাকা অবস্থায় তিনি তাঁর বিখ্যাত নাটক কবর রচনা করেন (১৯৫৩)। পঞ্চাশ ও ষাটের দশকের যে কোন ধরনের সংস্কৃতিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার। ১৯৬৬ সালে রেডিও ও টেলিভিশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান প্রচারে পাকিস্তান সরকারের নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ করেন। ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সরকার বাংলা বর্ণমালাকে রোমান বর্ণমালা দিয়ে সংস্কারের।

মুনীর চৌধুরীর লেখা রচনা সমগ্র:


১. কেউ কিছু বলতে পারে না


২.  রক্তাক্ত প্রান্তর


৩. চিঠি


৪. মীর-মানস


৫. নাটকসমগ্র-১


৬. বাঙলা ধ্বনিমূল


৭. মুনীর চৌধু


৮. নাটকসমগ্র-২


৯. দিনপঞ্জি-মনপঞ্জি-ডাকঘর


১০. উচ্চ মাধ্যমিক রক্তাক্ত প্রান্তর


১১. বৈদেশী


১২. কবর । রচনা সমগ্র উল্লেখযোগ্য।


Post a Comment

Previous Post Next Post